নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট সিটি কর্পোরেশন 34 নং ওয়ার্ড এলাকা দিন শাহ পরান থানা অন্তর্ভুক্ত,বহর মৌজা জে এল নং 70 এর অধীনে প্রকাশিত সরকারী খাস জমি বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া মোয়াজ্জির এর প্লট সহ পতিত টিলা রকম ভৃমি উজাড় হচ্ছে দিনের পর দিন, ১৪২ নং দাগের মধ্যে মোট জমি,৩৮, একর ৩৪,সতক ভূমি , এতে আনুমানিক ১৯ ৬৪ ইংরেজি লিজ দেওয়া হয় আলাউদ্দিন সুরাইয়া বেগম গং দের কে ফল বাগানের জন্য ৩০, একর জমি, ফুল বাগানের পরিবর্তন করে বিভিন্ন রেজিস্টার দলিল দ্বারা বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রয় করে ৬৪ এর লিজ দ্বারা ফল বাগানের পরবর্তী সরকার এসব দেখে ফল বাগানের লিজ বাতিল করে দেওয়া হয় চলে আসে সরকারী খাস খতিয়ানে এরপর বাংলাদেশ সরকার বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া হয় ভারত থেকে আসা মোয়াজ্জির তাদেরকে মাত্র ৮ একর ৪ সতক ভূমি বরাদ্দ দেওয়া হয় প্লট প্লট করে বাকি ৩০একর ৩০,সতক ভূমি আজ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার সিলেট জেলা প্রশাসক খতিয়ানভুক্ত রয়েছে সেখানে বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া হয়,আনুমানিক ১৯ ৯৩,৯৪, ইং সালে ভারত থেকে আসা মুয়াজ্জির তাদেরকে বাকি সব খাস নথিভুক্ত রয়েছে এমতা অবস্থায় আইয়ুব আলী মহরীল উছমান গনী গং ও আল বারাকা গ্রীন সিটি তৈরি করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুজাহিদ উদ্দিন চৌধুরী মারা যাওয়ার পর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যক্তিরা দিনমজুররা একদিন এখানে দিনমজুরি করে নিজের জীবন জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছে সেখানে ওই ব্যক্তিগুলা আবারো ওই খাস খতিয়ান অন্তর্ভুক্ত ভূমি বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের মামলা দায়ের করে মামলা চলাকালীন সময়ে নিজেদের মনগড়া নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে অনুমোদন ছাড়া সেখানে ভূমিহীন পরিবাররা বসবাস করছিল তাদেরকে বিভিন্ন অজুহাত মামলা মোকদ্দমা জুলুন নির্যাতন হয়রানি ক্ষতিগ্রস্ত এবং তাদের পক্ষে আমিনুর সুজন পিতা হায়দার আলী ও মৃত মাখন ডাইভারের ছেলে মজনু মিয়া গন বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিবাদী করে ভূমিহিন পরিবার পক্ষে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে, মামলা চলাকালীন সময়ে ভূমিহীন রে পরিবাররা তাড়িয়ে দিয়ে তাঁরাই আবার, বাদী বিবাদী একত্রিত হয়ে আল বারাকা গ্রীন সিটির নাম ব্যবহার করে তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে। এভাবে একদিন দিন মজুর হয়ে ভূমিহীন সেজে বসবার করত এই সরকারের জায়গা এখন বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্ট থেকে আসে এখন তারা মালিক হয়ে বাট বন্টন করে তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে এবং আলাল মিয়া কুদ্দুস মিয়া সহ আরো অনেক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে এবং শিক্ষিত সচেতন হলে প্রভাবশালী সাংবাদিক প্রশাসনিক অফিসের কর্মকর্তা উকিল সহ বিভিন্ন স্থানের মানুষ এসে দলবদ্ধ হয়ে একত্রিত করে বিভিন্নভাবে মামলা দেখিয়ে ভূমিহীন সাইনবোর্ড ব্যবহার করে মোহাজজির পরিবারের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে নিজেরা নিজেদের মধ্যে একে অন্যকে বাদী-বিবাদী সেজে আদালতে মামলা দায়ের করে মামলা চলমান রেখে একে অন্য মিলিতভাবে সরকারের এই সম্পদ লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে এভাবে চলছে তাদের বিজনেস একদিন পর্যন্ত প্রশাসন কঠোর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে এরা দিনের পর দিন এভাবে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের দখল বাণিজ্য এখনো চলমান রয়েছে তাদের এই বিজনেস এরা কেবা কারা কোথা থেকে এসেছে কিভাবে মালিক হয়েছে তা হতে দেখার জন্য সিলেট জেলা প্রশাসক প্রশাসন মহোদয়ের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি উপর উল্লেখযোগ্য ঘটনা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো