আল দাউফ সাদ:শীর্ষ দূর্নীতি বাজ ও আওয়ামী দোসর হত্যা মামলার আসামি হয়ে ও বহাল তবিয়তে রয়েছে চিহ্নিত ভূমি দস্যু জাল দলিল কারক হুমায়ূন ও তার স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার। সমালোচনায় সিটি কর্পোরেশন প্রসাশক।
এবার ক্ষুদ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন প্রসাশকের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে সমালোচনা করে স্থানীয় লোকজন বলছে একজন ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত মামলার আসামি মোর্শেদা আক্তার কি ভাবে প্রকাশ্যে কদম রসুল পৌরসভায় এখনো চাকরিতে বহাল রয়েছে। মোর্শেদা আক্তারের স্বামী চিহ্নিত ভূমি দস্যু ও জাল দলিল কারক হিসেবে পরিচিত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যার একাধিক মামলার আসামি হুমায়ূন কবির মৃধা। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে হুমায়ূন তার স্ত্রী ও ছেলেকে সিটি কর্পোরেশনে চুক্তি ভিত্তিক চাকরির সুযোগ করে দিয়েছেন। পরবর্তীতে তৎকালীন মেয়র ডা সেলিনা হায়াত আইভী হুমায়ূনের ছেলেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে চাকরিচ্যুত করেন বলে স্থানীয় ভাবে জানা গেছে।
মোর্শেদা আক্তার স্থায়ী ভাবে চাকরি করলেও তার দূর্নীতি ও অপকর্ম তুলে এনেছেন আমাদের অনুসন্ধানী টিম, এলাকা সূত্রে জানা যায় মোর্শেদা আক্তার টিকাদান সুপার ভাইজার হিসেবে নবীগঞ্জ কদম রসুল পৌরসভায় কর্মরত আছেন। মোর্শেদা আক্তার কর্মরত থাকাকালীন সময়ে ঐ প্রতিষ্ঠানের নারী পুরুষ কর্মকর্তাদের উপর অন্যায় অবিচার আর স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নির্যাতন করতেন। শুক্রবার সরকারি ছুটি থাকলেও সেই দিন কোন কোন এলাকায় টিকাদান কর্মসূচি চালু থাকলেও সরকার থেকে এষ্টা টাকা দেওয়া হয় টিকাদান কর্মীদের। কিন্তু মোর্শেদা আক্তার সুপার ভাইজার থাকায় সেই অর্থ রিতিমত আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।নাম মাত্র কিছু টাকা দিতেন দায়িত্বরত টিকাদান কর্মীদের।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায় যে, সরকার কর্তৃক বরাদ্দ পাওয়া মোর্শেদা আক্তারের নামে সিটি কর্পোরেশনের ফ্ল্যাট তথ্য গোপন করে অনেক আগেই বিক্রি করে ঢাকায় বসবাস করেন মোর্শেদা আক্তার এবং সেখান থেকে এসেই বন্দর নবীগঞ্জ কদম রসুল পৌরসভায় অফিস করেন। তবে হাজিরার খাতায় নিয়মিত স্বাক্ষর থাকলেও মুর্শিদা আক্তার নিয়মিত অফিস করেন না বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। আওয়ামী দোসর হত্যা মামলার আসামি হুমায়ূন কবির মৃধার প্রভাব খাটিয়ে একের পর এক অপরাধ সংঘটিত করার পর ও
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান প্রসাশকের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জবাসী। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও বিশিষ্টজনরা মতামত ব্যক্ত করে বলেন, ফৌজদারি মামলার আসামি সরকারি চাকরি করতে হলে অবশ্যই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করতে হবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ যদি প্রমাণিত না হয় তখন তাকে পূর্ণ বহাল করা যাবে।
সিটি কর্পোরেশনের যে আইন রয়েছে তাতে প্রসাশক সাময়িক বরখাস্ত করার এখতিয়ার রাখেন এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের অপরাধ ও দুর্নীতি বন্ধে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তাতে করে ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে সিটি কর্পোরেশনের। এবিষয়ে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রসাশক জনাব সাখাওয়াত হোসেন খানের সঙ্গে আলোচনা করা হলে তিনি বলেন মুর্শিদা আক্তারের বিরুদ্ধে এর আগে ও অভিযোগ এসেছে এবং এক সাংবাদিক ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তার বিরুদ্ধে যে, মুর্শিদা আক্তার ফৌজদারি মামলার আসামি এবং সিটি কর্পোরেশন থেকে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাট অন্য যায়গায় বিক্রি করেছে।তার স্বামী আওয়ামী দোসর এবং হত্যা মামলার আসামি সহ চিহ্নিত ভূমি দস্যু। সার্বিক বিষয়ে তদন্ত চলছে তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাবে না। তবে সিটি কর্পোরেশনে কোন আওয়ামী দোসরদের পরিবারের যায়গা হবে না তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অবস্যই নেওয়া হবে। হুমায়ূন দম্পতির মাঝে ছাড়াছাড়ি হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে কয়েকবার।
মুর্শিদা আক্তারের অপকর্মের আরো বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন দৈনিক আলোকিত নিউজ ডটকম। সূত্র দৈনিক আলোকিত নিউজ ডটকম।
Binggoplus is a must-try if you’re into bingo. Loads of fun, and the prizes are pretty cool. Good luck y’all! Try out binggoplus
For the best experience online, ph357ph365 is where it’s at. Give it a try and see! ph357ph365