লাবনী আক্তারঃ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ভোগান্তির ঠিকানা বলে জানা যায়। আদ্য ২৮ অক্টোবর সকালে গিয়ে তার তথ্য প্রমান সঠিক পাওয়া যায়। সেবার নামে চলছে ভোগান্তির খেলা, সাংবাদিক মোবাইল নিয়ে ভিতরে যেতে পারে না কিন্তু টাকার বিনিময়ে অনেকেই মোবাইল নিয়ে যেতে পারে যা ফিজিকেলি দেখা যায়। সত্য কথা বলাতে সাংবাদিকপকে মব সৃষ্টি করা আপচেষ্ঠা।যা মেইন ফটকের সিই ক্যামেরা দেখলেই প্রমান মিলবে।সহকারী সুবেদার আলমাস বলে-পত্রিকা নিয়ে জেলার ও জেল সুপার অফিসে পৌছিয়ে দেওয়া তার দায়িত্ব না, সে মানুষকে ভোগাতে পারে সেবা দিতে পারে না।
জেলার সাখাওয়াত মোবাইল বন্ধ করে দায়িত্ব পালন করছে বলে কারা রক্ষীদের মন্তব্য। জেল সুপার ফারুক হোসেন সাংবাদিককে জেলের দায়িত্ব দিতে চায় বলে দাবী করে প্রতিবেদক।