আকলিমা রাহাত খান : জুলকারনাইন সাংবাদিক নাকি তোষামোদকারী, এক অসহায় সাংবাদিককে ফাসিয়ে দিয়ে কি পেল জুলকারনাইন? ঘুম খুন পুনরায় উজ্জীবিত, নাটকের শেষ কোথায়? প্রশ্ন ভুক্তভোগীদের মনে। অসহায় মায়ের আর্তনাদ দেখবে কে?
আমরা অত্যন্ত আশঙ্কার সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের সম্মানিত সাংবাদিক অলিউল্লাহ জনি গত ৩০ ডিসেম্বর ভোর ৬ টায় বাসা থেকে নিজ কর্মের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। তার পরিবারের লোকজন তার সন্ধানে রামপুরা থানায় জিডি করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তাকে ডিবি কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে, তাই জিডি নেইনি রামপুরা থানা পুলিশ।
অতঃপর ডিবি অফিসে যোগাযোগ করলে অনেক পীড়াপীড়ির পরে তারা এক পর্যায়ে স্বীকার করে যে, অলিউল্লাহ জনি গত ৩০ তারিখ থেকে ডিবি হেফাজতে আছে। এখন প্রশ্ন হল তার বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ না পেয়ে কিভাবে ডিবি হেফাজতে রাখা হয়? এখনো পর্যন্ত তাকে কোন মামলা দেয়া হয়নি, আদালতে পাঠায়নি এবং জেলখানায় পাঠানো হয়নি। অর্থাৎ এই পুরো প্রক্রিয়াটি আগের হাসিনা রেজিমের স্বৈরাচারী কালো অলিখিত আইনের ভিত্তিতে প্রশাসন দ্বারা গুমের অপচেষ্টা হিসেবেই প্রতীয়মান হয়। এখান থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে ফ্যাসিস্টরা চলে গেলেও ফ্যাসিস্টদের কার্যক্রম এখনো বন্ধ হয়নি। সাথে আছে কিছু নষ্ঠা সাংবাদিক, যেমন জুলকারনাইন। একটা দুষ্ঠ ও তোষামতকারী সাংবাদিকের ফেসবুকের স্টাটাসে আরেকজন সাংবাদিককে কিভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে? তার সাথে পত্রিকার আইডি, ভিজিটিং কার্ড থাকা সত্ত্বেও সম্পাদক বা পরিবারের কাউকে অবগত করে নাই, ফ্যাসিস্ট সরকারের মত আটক করে ঘুম করার পরিকল্পনা করেছে ডিবি পুলিশ।
এখনও পর্যন্ত তাকে পরিবারের সামনে আনা হয়নি, দেখা করতে দেয়া হয়নি। এটা সুস্পষ্ট আইনের লঙ্ঘন। আমরা দপ্তর বার্তা, সময়েরচিন্তা, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিভি, রাইজিংসান বিডি, সংবাদ সব সময়, বাংলাদেশ রাইটস এন্ড পুয়র ডেভলপমেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ সাংবাদিক ও মানব কল্যান ফাউন্ডেশন, পপার্স লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও দুর্নীতি বিরুধী সোসাইটি এর পক্ষ তগেজে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
অলিউল্লাহ জনি রেপিস্ট আলেপ উদ্দিনসহ হাসিনা রেজিমের সহযোগী হাই প্রোফাইল অফিসারদের অনেকের বিরুদ্ধে আইসিটিতে সাক্ষি হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই আইন বহির্ভূত আটক প্রক্রিয়া এই কুখ্যাত অফিসারদের বিচারের পথে বাধা প্রদানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কিনা, সেটাও গুরুতর তদন্তের দাবী রাখে। এমত অবস্থায় যেখানে আমরা সাংবাদিকরাই সেইভ নই, পাবলিক কিভাবে সেভ থাকবে? সেটাই বোধগম্য নয় আমাদের।
একইভাবে জুলাইয়ের একটিভ মেম্বার সুরভী এবং বৈষম্য বিরুধী হবিগঞ্জের সমন্বয়ক মাহাদির গ্রেফতার প্রক্রিয়াও গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই আমরা মনে করি।
অলিউল্লাহ জনির নিরাপত্তা নিয়ে দপ্তরবার্তা, সময়েরচিন্তা, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিভি, সংবাদ সব সময়, রাইজিং সান বিডি ২৪.নেট ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ গভীরভাবে শঙ্কিত। সাংবাদিক ও সংগঠক সুলতান মাহমুদ তার মুক্তির দাবী জানাচ্ছে এবং এ ধরনের অবৈধ আটকের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছে।
অগাস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে কোনভাবেই হাসিনা কায়দায় গুম এবং গ্রেফতার সহ্য করা হবেনা। আমাদের কথা স্পষ্ট। কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে কোন অপরাধের সাথে জড়িত হয়, তার পক্ষে আমাদের কোন অবস্থান নেই এবং থাকবেও না। কিন্তু সে অপরাধী হোক কিংবা সে আওয়ামী লীগ হোক, সে সন্ত্রাসী হোক, সে যেই হোক না কেন বাংলাদেশে তাদেরকে গুম করা যাবে না। গুমের কালচার ফিরিয়ে আনা যাবে না।
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তার বিচার করা হবে, তাকে থানা বা কোর্টে হস্তান্তর করা হবে। কিন্তু তাকে ডিবি অফিসে, ডিবি হেফাজতের নামে পাঁচ দিন রাখা, এটা কি গুমের অন্তর্ভুক্ত নয়? এটা কোন আইনের ভিত্তিতে কোন আইনের বলে করা হচ্ছে? সেটা বাংলাদেশের মানুষের জানা অত্যন্ত জরুরী।
কথায় আছে কয়লা ধুইলে যায় না ময়লা।
Hey, been checking out vpbetapp lately and gotta say, it’s pretty solid! Easy to navigate and they have a decent selection. Worth a look if you’re after some fun. Check it out here: vpbetapp
Is 42betlogin worth a punt? Saw an ad for new signup bonuses. Always on the lookout for a decent welcome offer! Worth a check? Here’s the link: 42betlogin
So they have the Aviator game on indibetaviator. That could be interesting, because I love to try that game. I am going to dive right in:. indibetaviator